তপন বাগচী নব্বই দশকের শীর্ষস্থানীয় কবি, প্রাবন্ধিক, ফোকলোরবিদ। জন্ম: ২৩ অক্টোবর ১৯৬৮; কদমবাড়ি (মাতুলালয়) মাদারীপুর; পিতা তুষ্টচরণ বাগচী; মাতা জ্যোতির্ময়ী বাগচী। শিক্ষা: গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর (১৯৯৩) ও পিএইচডি (২০০৪)। পেশা: উপপরিচালক, সংকলন উপবিভাগ, গবেষণা সংকলন ও ফোকলোর বিভাগ, বাংলা একাডেমী।উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ : কবিতা: নির্বাচিত ১০০ কবিতা (২০১০), সকল নদীর নাম গঙ্গা ছিল (২০০৭), অন্তহীন ক্ষতের গভীরে (২০০৫), শ্মশানেই শুনি শঙ্খধ্বনি (১৯৯৬), কেতকীর প্রতি পক্ষপাত (১৯৯৬); ছড়াগ্রন্থ: ছন্দোবদ্ধ ভাবের পদ্য (২০১২), সকালবেলা স্মৃতির ভেলা (২০১১), সমকালে তমকালে (২০১০), খাচ্ছে ছুটি লুটোপুটি (২০০৯), মঙ্গা আসে ঘরের পাশে (২০০৮),স্বপ্নেবোনা তূণীরসোনা (২০০৭), চরকাবুড়ি ওড়ায় ঘুড়ি (১৯৯৫), রুখে দাঁড়াই বর্গী তাড়াই (১৯৯৪); কিশোরগল্প : সাতদিনের সাতকাহন (২০১১), শুভর শখের গোয়েন্দাগিরি (১৯৯৩); প্রবন্ধ: সাহিত্যের এদিক-সেদিক (২০১৩), সাহিত্যের কাছে-দূরে (২০১৩), রবীন্দ্রনাথ ও বৌদ্ধ আখ্যান (২০১২), লালন মতুয়া লোকসংগীত সন্ধান (২০১২), সংবাদের ভাষা ও সাময়িকপত্র পর্যালোচনা (২০১২), সাহিত্যের মধ্যমাঠ থেকে (২০১২), রবীন্দ্রসাহিত্যে নতুন প্রেক্ষণ (২০১২), কিছু স্মৃতি কিছু ধৃতি (২০১১), সাহিত্যেও সঙ্গ ও অনুষঙ্গ (২০১১), চলচ্চিত্রের গানে ডক্টর মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান (২০১০), লোকসংস্কৃতির কতিপয় পাঠ (২০০৮), বাংলাদেশের যাত্রাগান: জনমাধ্যম ও সামাজিক পরিপ্রেক্ষিত (২০০৭), মুক্তিযুদ্ধে গোপালগঞ্জ (২০০৭), রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ: চন্দ্রাহত অভিমান (২০০২); সাহিত্যের সাম্প্রতিক পাঠ (২০০১), নির্বাচন সাংবাদিকতা (২০০১), নজরুলের কবিতায় শব্দালঙ্কার (২০০০), তৃণমূল সাংবাদিকতার উন্মেষ ও বিকাশ (১৯৯৯); জীবনী: বিপ্লব দাশ (২০০১), রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ (১৯৯৮)।
About More.. 